তিন জাতি সিরিজের শুরুতে জিম্বাবুয়ে মুখোমুখি বাংলাদেশ
সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিন জাতি ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শনিবার জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানকে নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট। সিরিজের শুরুতেই জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাইবে দুই দল।

ওয়ানডে অধিনায়কত্বে ফিরছেন লিটন দাশ (ফাইল ছবি)
সংযুক্ত আরব আমিরাতে তিন জাতি ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে শনিবার জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানকে নিয়ে আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট। সিরিজের শুরুতেই জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাইবে দুই দল।
আগামীকালের ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের নেতৃত্বে ফিরছেন লিটন দাস। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ওয়ানডে দলকে গুছিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজাকে সামনে রেখে মাঠে নামবে জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা ও বোলিংয়ের সমন্বয়। পেসার নাহিদ রানার চোটের কারণে দলে না থাকাটা বোলিং পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদের মতো পেসারদের নিয়ে ভালো আক্রমণ গড়ার সুযোগ আছে। স্পিন বিভাগে মেহেদী হাসান মিরাজ ও রিশাদ হোসেনের সঙ্গে ওয়ানডেতে প্রথমবার ডাক পাওয়া আলিস আল ইসলামও আলোচনায় থাকবেন।
ব্যাটিংয়ে লিটনের সঙ্গে তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, সৌম্য সরকার ও তাওহিদ হৃদয়ের ওপর থাকবে নজর। মিডল অর্ডারে হৃদয়ের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। মেহেদী ও মোসাদ্দেক হোসেনের মতো অলরাউন্ডাররা ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও দলের ভারসাম্য বাড়াতে পারবেন।
জিম্বাবুয়েকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। দুই দলের সর্বশেষ দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ হয়েছিল গত জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের মাঠে। তিন ম্যাচের সেই সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল জিম্বাবুয়ে। প্রথম দুই ম্যাচে হারলেও শেষ ম্যাচে দাপুটে জয় নিয়ে সিরিজ শেষ করেছিল বাংলাদেশ। ফলে সাম্প্রতিক লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হবে।
জিম্বাবুয়ের শক্তির জায়গা তাদের অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারেন। ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের অভিজ্ঞতাও দলটির জন্য সহায়ক হতে পারে। পেস আক্রমণে ব্লেসিং মুজারাবানির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে চোটের কারণে রিচার্ড এনগারাভা না থাকায় বোলিং বিভাগে বিকল্প পরিকল্পনা করতে হবে জিম্বাবুয়েকেও।
এই টুর্নামেন্টে তিন দল একে অপরের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলবে। এরপর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল ২৩ অক্টোবরের ফাইনালে মুখোমুখি হবে। তাই প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া মানে ফাইনালের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে জরুরি হবে শুরুতে উইকেট ধরে রাখা, মাঝের ওভারগুলোতে রান তোলার গতি বজায় রাখা এবং বোলিংয়ে নিয়মিত উইকেট নেওয়া। জিম্বাবুয়ে চাইবে তাদের সাম্প্রতিক সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে। ফলে আবুধাবির ম্যাচে দুই দলের লড়াই জমে ওঠার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
আবুধাবির শেষ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে মাঠে নামবে দুই দল।

খেলার দেশ ডেস্ক
খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।
সম্পর্কিত আরও খবর
বাংলাদেশের ক্রিকেটজাতীয় দলের দায়িত্ব হারালেন আশরাফুল
বাংলাদেশের ক্রিকেটকেন আগে হয়নি আলিসের ‘সঠিক’ অ্যাকশন সংশোধন!
বাংলাদেশের ক্রিকেটফাইনাল খেলতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ
বাংলাদেশের ক্রিকেটত্রিদেশীয় সিরিজ থেকেই ছিটকে গেলেন লিটন
বাংলাদেশের ক্রিকেটশর্না-সুপ্তার লড়াই ব্যর্থ করে অস্ট্রেলিয়ার সহজ জয়
বাংলাদেশের ক্রিকেট
মন্তব্যসমূহ (0)
মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।