খেলারদেশ

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬

যেসব কারণে হারলো ব্রাজিল

নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে রাউন্ড অব সিক্সটিনেই থেমে গেছে ব্রাজিলের ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন, এই ম্যাচের প্রায় প্রতিটি বিভাগে সেলেসাওদের হারিয়েছে ভাইকিং নরওয়ে। ব্রাজিলের হারের কারণগুলি বিশ্লেষণ করেছেন রুহুল মাহফুজ জয়।

যেসব কারণে হারলো ব্রাজিল

ব্রাজিলের চেয়ে প্রায় সব বিভাগে ভালো ফুটবল খেলেই জিতেছে নরওয়ে

রুহুল মাহফুজ জয়
By রুহুল মাহফুজ জয়

১৯৯০ বিশ্বকাপের পর বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি ব্রাজিল শেষ ষোল থেকে বিদায় নিলো। একুশ শতকের শুরুতে, ২০০২ সালে কোরিয়া-জাপান থেকে সবশেষ বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছিল ব্রাজিল। এরপর ২৪ বছর পেরিয়ে গেলো, মাত্র একবার কোয়ার্টার ফাইনাল পেরোতে পেরেছে দলটি। ৯৪ থেকে ২০০২ টানা তিনটি আসরে ফাইনাল খেলে দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলটি ২০০৬, ১০, ১৮ আর ২২-এ বিদায় নিয়েছে কোয়ার্টারে, এবার তো রাউন্ড অব সিক্সটিনই পার হতে পারলো না। রোনালদো নাজারিও, রিভালদো, রোনালদিনিয়োদের পর ব্যক্তিপ্রতিভা ঠিকই এসেছে, কিন্তু খেলার প্রতিটি পজিশনে বিশ্বমানের খেলোয়াড় যোগান দিতে পারেনি ব্রাজিল; কোনো না কোনো জায়গায় ঘাটতি থেকেই গেছে। এর মাঝে বিশ্বকাপ জেতার মতো দল ছিলো ২০১৮-তে, সেবারও কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পেরোতে পারেনি। খেলোয়াড় উৎপাদন যাও হচ্ছে, ব্রাজিল বিশ্বমানের কোনো কোচ উপহার দিতে পারছে না, যে কারণে দেশটির ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবার বিদেশি কোচ নিয়োগ দিতে হয়েছে। ক্লাব ফুটবলের ডন, ইতালিয়ান কার্লো আনচেলত্তি এবারের বিশ্বকাপের প্রথম চারটি ম্যাচ পার করে দিতে পারলেও পঞ্চম ম্যাচে এসে হোঁচট খেলো সেলেসাও দল। নিউইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে নরওয়ের কাছে ব্রাজিল প্রায় প্রতিটি বিভাগেই হেরেছে। ব্রাজিলের হারের সেসব কারণই খোঁজার চেষ্টা করেছেন খেলার দেশ-এর সম্পাদক রুহুল মাহফুজ জয়।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আশাভঙ্গের দৃশ্য এখন নিয়মিত

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আশাভঙ্গের দৃশ্য এখন নিয়মিত

ম্যাচে নরওয়ে ৬৭৯টি পাস খেলেছে, সফল হয়েছে ৬১৭ পাসে। ব্রাজিল এর অর্ধেক পাসও খেলতে পারেনি! পাস একুরেসি নরওয়ের ৯১% আর ব্রাজিলের ৮৫ শতাংশ!

নেতিবাচক কৌশলঃ আক্রমাণাত্মক ফুটবল খেলা ব্রাজিলের চিরায়ত স্টাইল। দুনিয়াব্যাপি ব্রাজিলের যে কোটি কোটি সমর্থক, এর কারণ দলটির সুন্দর ও আক্রমাণাত্মক ফুটবল খেলার স্টাইল, যার নাম 'জুগা বনিতো' বা 'জিঙ্গা'। সাম্বা নাচের মুদ্রায় ফুটবলকে নিয়ন্ত্রণ করার খেলার এই স্টাইল দিয়েই ব্রাজিল পাঁচ পাঁচটি বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছে। কিন্তু নরওয়ের বিপক্ষে রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলার ছক সাজান সেলেসাওদের ইতালিয়ান কোচ আনচেলত্তি। রক্ষণ সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে খেলার সিদ্ধান্ত মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

মিডফিল্ডে পার্থক্যঃ ইঞ্জুরির কারণে লুকাস পাকেতার না থাকা ব্রাজিলকে বড্ড ভুগিয়েছে। ব্রাজিলের প্রতি-আক্রমণ নির্ভর খেলার কৌশলের কারণে নরওয়ের দুই বিশ্বমানের মিডফিল্ডার অধিনায়ক মার্টিন ওদেগার্ড ও স্যান্ডার বার্গ পুরো মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেছেন। যে কারণে বল নিয়ন্ত্রণে ব্রাজিলকে নরওয়ে পুরোপুরি আউটপ্লে করেছে। যার প্রমাণ, ম্যাচে নরওয়ে ৬৭৯টি পাস খেলেছে, সফল হয়েছে ৬১৭ পাসে। ব্রাজিল এর অর্ধেক পাসও খেলতে পারেনি! পাস একুরেসি নরওয়ের ৯১% আর ব্রাজিলের ৮৫ শতাংশ! ফুটবল খেলায় যখন কোনো দল মিডফিল্ড দিয়ে বল দখল ও পাসিং নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের বিশ্বমানের স্ট্রাইকার থাকলে গোল পাওয়া ও ম্যাচ না জেতার কোনো কারণ নেই।

দুই দলের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের মধ্যে তুলনামূলক তরুণ বার্গ কাসেমিরোর চেয়ে অনেক বেশি উজ্জ্বল ছিলেন। বার্গের ১৩০টি পাসের বিপরীতে কাসেমিরোর পাস মাত্র ৫১টি, রক্ষণাত্মক ডিউটিতে বার্গ ছিলেন শতভাগ সফল আর কাসেমিরো ৫০ শতাংশ। অন্যদিকে দুই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের লড়াইয়ে ব্রুনো গিমারায়েস মার্টিন ওদেগার্ডের ধারেকাছেও ছিলেন না। ওদেগার্ড পুরো ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছেন; ১০৪টি পাস সম্পন্ন করেছেন, সেখানে ব্রুনোর পাস মাত্র ২৪টি! ওদেগার্ডের যেখানে ফাইনাল থার্ডে পাস ৩৫টি, ব্রুনোর সেখানে মাত্র ৪টি! খেলায় ওদেগার্দের রেটিং সাড়ে সাত, ব্রুনোর সাড়ে চার। দুই দলের মিডফিল্ডারের পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যানেই ব্যবধানটা পরিষ্কার বোঝা যায়।

মার্টিন ওদেগার্ড ও স্যান্ডার বার্গ পুরো মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেছেন, সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন হালান্ড

মার্টিন ওদেগার্ড ও স্যান্ডার বার্গ পুরো মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেছেন, সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন হালান্ড

পেনাল্টি মিসঃ ম্যাচে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য শুরুর দিকেই ব্রাজিলের সামনে সুযোগ এসেছিলো। পরিস্থিতি দেখে বোঝা গেছে কে পেনাল্টি নেবে, সে ব্যাপারে দল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলো। নেইমারের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিলের পেনাল্টি শটগুলি সাধারণত ভিনিসিউস জুনিয়র নেন। কিন্তু দেখা গেলো ভিনির হাতে বল থাকলেও পেনাল্টি নেওয়ার জন্য তা তিনি তুলে দেন ব্রুনো গিমারায়েসের হাতে। নিজের ক্লাবের হয়েও নিয়মিত পেনাল্টি না নেওয়া ব্রুনো স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে পারেননি। তার নেওয়া দুর্বল শট নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নিল্যান্ড সহজেই ঠেকিয়ে দেন। এই মুহূর্তটিই আসলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। অবশ্য ম্যাচের পর ভিনি জানিয়েছেন, ব্রুনোর পেনাল্টি নেওয়ার সিদ্ধান্ত এসেছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির কাছ থেকে।

নরওয়ে গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সঃ ফুটবলে বড় দলের বিপক্ষে জিততে হলে গোলরক্ষককে সবসময়ই অতিমানবীয় পারফরম্যান্স করতে হয়। এই ম্যাচে নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নিল্যান্ড তাঁর জীবনের সেরা ম্যাচটিই হয়ত খেলেছেন। ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দিয়ে ম্যাচের মোমেন্টাম নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন। এরপর পুরো ম্যাচে ব্রাজিলের ভয়ঙ্কর আক্রমণগুলি ব্যর্থ করতে আরও চারটি সেইভ ও দুটি ক্লিয়ারেন্স আছে এই ৩৫ বছর বয়সী নরওয়ে নাম্বার ওয়ানের; বিশেষ করে সতীর্থ ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ারের পা থেকে দুর্ঘটনাবশত আসা বলটি যেভাবে সেভ করেছেন, তা অনবদ্য।

একটি পেনাল্টিসহ ম্যাচে পাঁচটি দারুণ সেইভ করেছেন নিল্যান্ড

একটি পেনাল্টিসহ ম্যাচে পাঁচটি দারুণ সেইভ করেছেন নিল্যান্ড

ব্রাজিলের সুযোগ মিসের মহড়াঃ বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচ জিততে হলে ফিনিশিংয়ে অনেক বেশি ক্লিনিক্যাল হতে হয়। ব্রাজিল এই জায়গায় পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বল পজেশনে নরওয়ে রাজত্ব করলেও কাউন্টার অ্যাটাকে খেলেও গোলের পরিষ্কার সুযোগ বেশি তৈরি করেছে ব্রাজিল। পেনাল্টি ছাড়াও প্রতিপক্ষের জন্য বিপদজনক তিনটি সুযোগ তৈরি করেও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছে। বদলি হিসাবে নেমে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ব্রাজিলকে এগিয়ে নেওয়ার দারুণ সুযোগ আসে এন্ড্রিকের সামনে, ভিনির দেওয়া অসাধারণ পাসটি ধরে এগিয়ে গিয়ে গোলরক্ষককে একা পেয়েও পোস্টের বাইরে শট মারেন তিনি। স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে না পারায় তাড়াহুড়া করে শট নেন এন্ড্রিক।

তিনি খেয়াল করেন ব্রাজিলের দুই উইংব্যাক যথেষ্ট সামাল দিতে পারছে না। আরেকটু গতিশীল খেলোয়াড় নামালে দুই উইং দিয়েই ব্রাজিলকে কাবু করা সম্ভব।

হালান্ড ফ্যাক্টরঃ নরওয়ে এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে লম্বা দল। এই দলটির খেলোয়াড়দের গড় উচ্চতা ১৮৭.২ সেন্টিমিটার। শারীরিক সক্ষমতার দারুণ ব্যবহার করেছেন আর্লিং ব্রট হালান্ড। নরওয়ের প্রথম গোলটি এসেছে শারীরিক সক্ষমতা ও পার্থক্য কাজে লাগিয়ে। সতীর্থের বাড়ানো ক্রসটিতে হেডারে বল জালে পাঠাতে হালান্ড যখন লাফ দেন, তাঁর মার্কার গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস ছিটকে যান। শুধু শারীরিক সক্ষমতা না, হালান্ড গোল করার ফুটবলীয় দক্ষতাতেও প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের হারিয়েছেন। তার প্রমাণ দ্বিতীয় গোলটি। ডিবক্সের বাইরে থেকে নিপুণ একটা শট ব্যবধান ২-০ করেছে। দুই দলের ব্যবধানটা স্ট্রাইকার পজিশনেও ছিলো।

স্টালে সলবাক্কেন মাস্টারক্লাসঃ ব্রাজিলকে হারাতে দারুণ সব ছক কষেছিলেন নরওয়ে কোচ স্টালে সলবাক্কেন। দলের শক্তির জায়গা মাঝমাঠকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন। বার্গকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন দুই সেন্ট্রাল ডিফেন্ডারকে সঙ্গ দিয়ে খেলা বিল্ডাপ করতে। আর মার্টিন ওদেগার্ডের ওপর খানিকটা অতিরিক্ত দায়িত্বও দিয়েছিলেন। মাঝমাঠে খেলা নিয়ন্ত্রণ, ফাইনাল থার্ডে বল যোগান দেওয়ার পাশাপাশি খেলার টেম্পো কিছুটা ধীর করে দেওয়া, যাতে বল পজেশনে রাজত্ব করা যায়। দুই মিডফিল্ডারই সেই দায়িত্ব দারুণভাবে পালন করেছেন। সলবাক্কেন আসল কাজটা করেন প্রথমার্ধের বিরতিতে। তিনি খেয়াল করেন ব্রাজিলের দুই উইংব্যাক যথেষ্ট সামাল দিতে পারছে না। আরেকটু গতিশীল খেলোয়াড় নামালে দুই উইং দিয়েই ব্রাজিলকে কাবু করা সম্ভব। তাই দ্বিতীয়ার্ধের খেলার শুরুতেই তিনি আলেকজান্ডার সরোলথ ও এই বিশ্বকাপে নরওয়ের ব্রেকআউট স্টার আন্তোনিও নুসাকে উঠিয়ে মাঠে নামান আন্দ্রেয়াস শেলডেরাপ ও অস্কার ববকে, যা ম্যাচের গতি বদলে দেয়। শেলডেরাপ হালান্ডের দুটি গোলেই অ্যাসিস্ট করেছেন।

ব্রাজিলের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ কোচ কার্লো আনচেলত্তির কিছু সিদ্ধান্ত

ব্রাজিলের ব্যর্থতার অন্যতম কারণ কোচ কার্লো আনচেলত্তির কিছু সিদ্ধান্ত

আনচেলত্তির সাব নির্বাচনঃ ম্যাচের টেম্পো বিবেচনায় ম্যাথুস কুনিয়া আর গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি দুই গতিশীল খেলোয়াড়কেই উঠিয়ে নেওয়ায় দলের ওপর প্রভাব পড়েছে। নরওয়ে দলের মিডফিল্ডাররা এতে খেলায় আরও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ও উইং দিয়েও ব্রাজিলকে দুর্বল করে দেয়। সেই সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছে নরওয়ে। দলটির দুটি গোলই এসেছে তাদের লেফট উইং দিয়ে বিল্ডাপে, যা ব্রাজিলের জন্য ছিলো ডানপ্রান্ত। নেইমার ফিট থাকার পরেও তাঁকে শুরু থেকেই না খেলানো নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায়। তারকা খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অনেক সময় দলের ব্যর্থতা আড়াল করে দেয়। আনচেলত্তি কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি। নেইমার নাম্বার টেন পজিশনে খেললে ব্রাজিল আরও বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারতো, প্রথম পেনাল্টিটাও তিনিই নিতেন। আর সেই পেনাল্টিতে গোল পেলে এই ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারতো।

দল বনাম ব্যক্তিগত লক্ষ্যঃ এই জায়গাটিতে ব্রাজিলের চেয়ে নরওয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ছিলো। নরওয়ে পুরো দল হিসাবে ওয়ান টাচ ফুটবল খেলেছে। সবাই সবাইকে সচল রেখেছে, একে অপরের পিঠ চাপড়ে দিয়েছে। দলে ভাইকিং মুড পুরাপুরি চালু ছিলো। অন্যদিকে ব্রাজিল অনেকটাই ব্যক্তিনৈপুন্যনির্ভর দল তো ছিলোই, খেলোয়াড়রাও স্বার্থপর আচরণ করেছেন। ফাঁকা থাকা ভিনিকে অন্তত দুবার ফাইনাল থার্ডে গিয়ে কুনিয়া পাস দেননি, অতিরিক্ত ড্রিবল করে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের গুছিয়ে ওঠার সময় দিয়েছেন ও নিজে হিরো হওয়ার চেষ্টা করেছেন। খেলার শেষ দিকে নেইমারকে পাস দেননি কাসেমিরো, অই পাসটি পেলে নির্ধারিত ৯০ মিনিট ২-২ হতে পারতো।

সব মিলিয়ে কোচের কৌশল, খেলোয়াড়দের সেসব কৌশল কাজে লাগানো এবং টিম স্পিরিটের অনুপম প্রদর্শনীতে নরওয়ে ব্রাজিলকে হারিয়েছে। যোগ্য দলটিই জয়ের মুকুট পরে পরের রাউন্ডে উঠেছে। এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে ব্রাজিল ফুটবলের অনেক দুর্বলতা চিহ্নিত করা ও সেসব জায়গায় কাজ করার বিরাট দায়িত্ব সামনে। নাহলে হেক্সা মিশন ২৮ পেরিয়ে আরও বহু বছরেও সফল হবে না।

রুহুল মাহফুজ জয়

রুহুল মাহফুজ জয়

খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

মন্তব্যসমূহ (0)

মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।