নকআউটে মুখোমুখি দুই চমক
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬, শেষ ৩২—নেদারল্যান্ডস বনাম মরক্কো : একদল কখনো বিশ্বকাপ জেতেনি, তবু তিনবার ফাইনালে কেঁদেছে। আরেক দল গতবারই ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে উঠে গোটা মহাদেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছিল। শেষ ৩২-এর মঞ্চে এই দুজনই যখন মুখোমুখি, তখন এটা নিছক একটা নকআউট ম্যাচ থাকে না—হয়ে ওঠে দুই অভিমান আর দুই উচ্চাকাঙ্ক্ষার সংঘর্ষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬, শেষ ৩২—নেদারল্যান্ডস বনাম মরক্কো :
একদল কখনো বিশ্বকাপ জেতেনি, ফাইনালে কেঁদেছে তিনবার। অন্য দল গত আসরেই ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে উঠে গোটা মহাদেশকে স্বপ্নে ভাসিয়েছিল।
শেষ ৩২-এর মঞ্চে এই দুজনই যখন মুখোমুখি, তখন এটা নিছক কোনো নকআউট ম্যাচ থাকে না—হয়ে ওঠে অভিমান আর দুই উচ্চাকাঙ্ক্ষার সংঘর্ষ।
গ্রুপ পর্বের ধুলা এখনো থিতু হয়নি। এর মধ্যেই বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় নকআউট লড়াইগুলোর একটি হাজির। নেদারল্যান্ডস আর মরক্কো—কাগজে-কলমে দুই ভিন্ন আকারের শক্তি, কিন্তু এই গ্রীষ্মে দুজনই মাঠে নেমে যা করে দেখিয়েছে, তাতে ফেভারিট বেছে নেওয়া সত্যিই কঠিন। দুই দলই গ্রুপ থেকে বেরিয়েছে সাত পয়েন্ট নিয়ে, দুই দলই নিজেদের প্রমাণ করেছে শিরোপার দাবিদার হিসেবে।
বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল ৭টায় মুখোমুখি হবে দুই দল।
গ্রুপ পর্বে কে কেমন ছিল:
রোনাল্ড কোম্যানের নেদারল্যান্ডস গ্রুপ এফ-এ শুরুটা করেছিল জাপানের বিপক্ষে ২-২ ড্রয়ে। কিন্তু এরপর সুইডেন আর তিউনিসিয়াকে টানা হারিয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে শেষ করে দলটি—পেছনে ফেলে দ্বিতীয় হওয়া জাপান আর তৃতীয় সুইডেনকে। এই আসরে এখন পর্যন্ত ১০ গোল করেছে ডাচরা। তাদের পারফরম্যান্স দেখে অনেকেই শিরোপার দাবিদার বলে মনে করছেন।
ইতিহাস অবশ্য নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে নিষ্ঠুর। বিশ্বকাপ তারা কখনো জেতেনি—১৯৭৪, ১৯৭৮ আর ২০১০ সালে রানার্স-আপ, ১৯৯৮-এ চতুর্থ, ২০১৪-তে তৃতীয়। গতবার, ২০২২ সালে, তারা থেমেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। এবার মরক্কোকে হারাতে পারলে সামনে খুলে যাবে শেষ ষোলোর দরজা; যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা বা কানাডার মতো প্রতিপক্ষ পড়বে—অর্থাৎ শেষ আটে পৌঁছানোর একটা বাস্তব পথও দেখা যাচ্ছে কাগজে-কলমে। তবে তার আগে টপকাতে হবে নাছোড়বান্দা আফকন চ্যাম্পিয়নদের বাধা।
অন্যদিকে মরক্কোর গল্পটাও রোমাঞ্চকর। গ্রুপ সি-তে ব্রাজিলের সঙ্গে সমান ৭ পয়েন্ট নিয়েও কেবল গোল-পার্থক্যে দ্বিতীয় হয় আটলাস লায়ন্সরা। ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-১ ড্র দিয়ে আসর শুরু করে তারা। এরপর স্কটল্যান্ডকে ১-০, হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে অনায়াসেই উঠে আসে নকআউটে।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই মরক্কোকে ধরা হয়েছিল অনেকদূর যাওয়ার সামর্থ্য রাখা একটা দল হিসেবে—আর ব্রাজিলের বিপক্ষে তাদের পারফরম্যান্সই বলে দিয়েছে, সর্বোচ্চ পর্যায়ে লড়াই করার সাহস তাদের আছে।
মোহাম্মদ ওয়াহবির দলটিও কখনো বিশ্বকাপ জেতেনি, কিন্তু ২০২২ সালে সেমিফাইনালে ওঠা ছিল তাদের ইতিহাসের সেরা অর্জন। সেই দল এবার আরও ক্ষুধার্ত, এবং আত্মবিশ্বাসী।
অতীতের দেখা-সাক্ষাৎ:
এর আগে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল। তার মধ্যে স্মরণীয় ১৯৯৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের লড়াই, যেখানে ২-১ গোলে জিতেছিল নেদারল্যান্ডস। অবশ্য তিন দশক পেরিয়ে আসা এই মরক্কো আর সেই মরক্কো নয়। এবারের আটলাস লায়ন্স নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেই নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে।

নেদারল্যান্ডস:
কোম্যানের জন্য স্বস্তির খবর, ডেনজেল ডামফ্রিস আর ব্রায়ান ব্রবি—দুজনের চোট নিয়েই কিছুটা সংশয় ছিল। কিন্তু ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে, দুজনই মরক্কোর বিপক্ষে খেলার জন্য প্রস্তুত। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে শুরু করা একাদশ থেকে সম্ভবত একটাই পরিবর্তন আসছে—লেফট-ব্যাকে ফিরছেন মিকি ফন ডে ফেন। বাদ পড়ছেন নাথান আকে।
আক্রমণভাগের কেন্দ্রে আবারও দেখা যাবে ব্রবিকে। অভিজ্ঞ মেমফিস ডিপাই, জাস্টিন ক্লুইভার্ট। প্রয়োজনে নামানোর জন্য তৈরি রসদ হিসেবে ক্রিসেনসিও সামারভিলকে রাখা হচ্ছে বেঞ্চে।
প্রেস কনফারেন্সে রোনাল্ড কোমান বলেন,
“প্রথমত, মরক্কো খুবই শক্তিশালী একটি দল। আমার মনে হয়, টুর্নামেন্টে অনেক দূর যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে নামা দুই দলই দারুণ একটি ম্যাচ উপহার দেবে। বিশ্বকাপে এমন হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ হয়ত একটু আগেই চলে এসেছে। মরক্কো দারুণ ফুটবল খেলে। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পছন্দ করে। তাদের দলেও রয়েছেন অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়। তবে ভুলে গেলে চলবে না, তাদের প্রতিপক্ষ ডাচ দলও যথেষ্ট শক্তিশালী।
আমরা জানি আমাদের শক্তির জায়গাগুলো কোথায়। এও জানি কীভাবে তাদের দুর্বলতা কোথায়। সুতরাং আমরা মোটেও চিন্তিত বা ভীত না। আগামীকালের প্রতিপক্ষের প্রতি আমাদের যথেষ্ট সম্মান রয়েছে, এটুকুই। শেষ পর্যন্ত সেরা দলই জেতে। আশা করি, দারুণ একটা ম্যাচ হবে, এবং জয়টা হবে আমাদেরই।”
তারকা ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক যোগ করেন,
“আমি খুব হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে আশা করছি। কারণ, তাদের দলে অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছেন। এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা রাইট-ব্যাক আশরাফ হাকিমি আছেন, ইসমাইল সাইবারি দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন, অসাধারণ একটি মৌসুমও কাটিয়ে এসেছেন। অভিজ্ঞ গোলরক্ষক বোনো, কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবির মতো দক্ষ কোচ, ব্রাহিম দিয়াজ—সব মিলিয়ে তাদের দলে অনেক মানসম্পন্ন ফুটবলার রয়েছে। এছাড়া রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দিও দারুণ, ঝলক ছড়িয়ে সবার নজর কাড়ছেন; তরুণ হলেও খুব ভালো খেলছেন তিনি।
সেক্ষেত্রে, আমাদের প্রস্তুতি সন্তোষজনক। তাদের খেলা বিশ্লেষণ করেছি, অনুশীলন করেছি এবং দুটি খুব ভালো ট্রেনিং সেশন সম্পন্ন করেছি। প্রস্তুতির যা যা করার, সবই করা হয়েছে। বাকিটা নির্ভর করছে মাঠে আমাদের সেগুলো এক্সিকিউট করার।
আমি ম্যাচটি নিয়ে ভীষণ উত্তেজিত। নিঃসন্দেহে কঠিন এক ম্যাচ হতে যাচ্ছে, তবে আমি মুখিয়ে আছি মাঠের নব্বই মিনিটের জন্য। একজন ফুটবলারের তো এমন ম্যাচেই খেলতে ইচ্ছা করে। আগেও বলেছি, এটি আমাদের প্রথম নকআউট ম্যাচ। তাই আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমরা সর্বস্ব উজাড় করে দেব।”
শিরোপার দাবিদার প্রমাণ করার তাগিদ সম্পর্কে নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক ও ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক বলেন,
“ব্যক্তিগতভাবে, আমাদের কাউকে কোনো বার্তা দেওয়ার জন্য খেলতে হবে বলে আমি মনে করি না। বিষয়টি খুবই সহজ আমার কাছে—আমরা এখন যে অবস্থানে আছি, এটাই বাস্তবতা। নিরপেক্ষ দর্শকদের জন্য এটি দেখার মতো অসাধারণ একটি ম্যাচ হবে, এটুকুই শুধু আমি মনে করছি।
বিষয়টা হচ্ছে, মরক্কোকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা এখানে এসে। নেদারল্যান্ডস ও মরক্কোর মানুষের মধ্যে যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে, সে কারণেও ম্যাচটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এর বাইরে, খেলাটাকে স্বাভাবিকভাবেই দেখছি আমি। আগেই বলেছি, এটি নকআউট ম্যাচ—এখানে হয় জিততে হবে, নয়তো বিদায় নিতে হবে। আমরা আমাদের সর্বস্ব দিয়ে লড়ব।”

মরক্কো :
হাইতির বিপক্ষে নামা একাদশ থেকে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে মরক্কো। শেষ ৩২-এর এই লড়াইয়ের জন্য প্রথম একাদশে ফিরছেন নুসাইর মাজরাউই, ইসা দিওপ, আইয়ুব বুয়াদ্দি আর আজেদ্দিন উনাহি।
সবার নজর থাকবে ইসমাইল সাইবারির দিকে। এই গ্রীষ্মেই বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিতে যাওয়া এই ফরোয়ার্ড আসরে তিন ম্যাচে করেছেন তিন গোল, আর এই ম্যাচেও আক্রমণের নেতৃত্ব দেবেন তিনিই। সঙ্গে একাদশে জায়গা পাচ্ছেন আশরাফ হাকিমি আর ব্রাহিম দিয়াজের মতো নাম।
প্রেস কনফারেন্সে মরক্কোর প্রধান কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা—এবং খেলোয়াড়দেরও সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হলো এই জার্সি গায়ে চাপিয়ে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করা। আমার বিশ্বাস, শুধু এই অনুপ্রেরণাই পাহাড় ঠেলে সরাতে সক্ষম। অবশ্যই, আমাদের সামনে আরও অনেক কিছু রয়েছে, যেমন বিভিন্ন ইতিবাচক মন্তব্য বা অন্যান্য বিষয়, যেগুলো আমাদের জন্য বাড়তি প্রেরণা। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এই ম্যাচ জেতার জন্য আমরাও যথেষ্ট অনুপ্রাণিত, আত্মবিশ্বাসী এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো বলেন, “আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি একটি দুর্দান্ত দলের বিপক্ষে খুবই বড় একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। তাদের দলে যেমন অসাধারণ সব খেলোয়াড় রয়েছেন, তেমনি মরক্কোও একটি দুর্দান্ত দল এবং আমাদের দলে রয়েছেন অসাধারণ অনেক খেলোয়াড়। তাই ম্যাচটি হবে রোমাঞ্চকর ও বড় লড়াই। আমার বিশ্বাস, আমরা সবাই প্রস্তুত এবং নিজেদের সেরাটা দিতে পারব। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখন।”
মরক্কোর প্রধান কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি আরো যোগ করেন, “আমাদের দলে বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছেন। এমন খেলোয়াড় রয়েছে যারা শতভাগ ডেডিকেটেড। আবার এমন খেলোয়াড়ও রয়েছে যাদের চরিত্র অসাধারণ দৃঢ়। তাঁরা জানেন, আমরা যা কিছু করেছি, যা করছি এবং ভবিষ্যতে যা-ই করব—সবকিছুই সবার আগে আমাদের সমর্থকদের জন্য, তারপর নিজেদের জন্য। আমার মনে হয়, খেলোয়াড়রা প্রতিদিন এই অনুভূতিটা উপলব্ধি করে। আমাদের দলে নেতৃত্ব দেবার মতো অনেকেই রয়েছেন—আশরাফ হাকিমিও তাদের একজন। যখন আপনি তাদের ডেডিকেশন দেখবেন, ম্যাচগুলো জেতার খিদেটা টের পাবেন, তখন বুঝতে পারবেন, সমর্থকদের জন্য এরচেয়ে সুন্দর বার্তা দেয়া সম্ভব না।
তবে এই বার্তা কথায় না, কাজেই দিতে চাই। আমরা প্রতিদিন যা করি, আগামীকাল মাঠেও তাই করব। আজ আলাদা করে সমর্থকদের আশ্বস্ত করার কোনো প্রয়োজন আমি অনুভব করছি না।”
মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো শেষে বলেন, “এটা বিশ্বকাপের ম্যাচ। প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য বড় স্বপ্ন। এর চেয়ে বেশি কিছু আসলেই বলার নেই। আমরা আগেই জানি, বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর একটা। তাই আমরা ম্যাচটির অপেক্ষায় আছি। সত্যি বলতে, এই অভিজ্ঞতার অংশ হওয়ার জন্য আমাদের তর সইছে না।”
সম্ভাব্য একাদশ:
নেদারল্যান্ডস: ভারব্রুগেন; ডামফ্রিস, ফন ডাইক, ফন হেকে, ফন ডে ফেন; গ্রাভেনবার্খ, ডি ইয়ং, রেইন্ডার্স; মালেন, ব্রবি, গাকপো
মরক্কো: বোনো; হাকিমি, দিওপ, রিয়াদ, মাজরাউই; এল আইনাউই, বুয়াদ্দি; ব্রাহিম, উনাহি, এল খান্নুস; সাইবারি
মরক্কোর চোখে এই ম্যাচ :
“শেষ ৩২-এর সবচেয়ে আলোচিত লড়াই এটাই। আর আমার বিশ্বাস, জেতার সব রসদ মরক্কোর আছে।” — রোমাঁ লঁতম, আফ্রিক-ফুট
আফ্রিক-ফুটের রোমাঁ লঁতম মনে করেন, ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রথম আধঘণ্টায় যে চাপ তৈরি করেছিল মরক্কো, ঠিক সেই পারফরম্যান্সটাই আবার ফিরিয়ে আনতে পারলে ডাচদের বড় বিপদে ফেলা সম্ভব। তাঁর ভাষায়, প্রেসিংয়ের দিক থেকে আটলাস লায়ন্সরা সত্যিই ভোগাতে পারে নেদারল্যান্ডসকে।
তবে সতর্কবাণীও আছে। গোলের সামনে আরও নিখুঁত হতে হবে, আর পুরো ৯০ মিনিট ধরে রাখতে হবে সেই মান। নইলে স্কটল্যান্ড যা পারেনি, ডাচদের আক্রমণভাগ ঠিক সেটাই করে দেখাবে — মরক্কোর দুর্বল মুহূর্তগুলোকে কাজে লাগিয়ে শাস্তি দেবে।
শেষ কথা :
এই ম্যাচ ঘিরে ভবিষ্যদ্বাণী করাটাই কঠিন। নেদারল্যান্ডস এই গ্রীষ্মে দুর্দান্ত খেলেছে, কিন্তু মরক্কোর সাহস আর সংঘবদ্ধতা যেকোনো হিসাব উল্টে দিতে পারে। স্পোর্টস মোলের বিচারে এই লড়াইয়ের সম্ভাব্য ফল মরক্কোর পক্ষে ২-১—অর্থাৎ আবারও একটা অঘটনের আভাস, আর শেষ ষোলোয় আটলাস লায়ন্সদের পা রাখার গল্প।
তবে ফুটবল তো শেষ পর্যন্ত মাঠেই লেখা হয়। তিনবারের রানার্স-আপ আর গতবারের সেমিফাইনালিস্ট—দুই ক্ষুধার্ত দলের এই দ্বৈরথে শেষ হাসি কে হাসবে, তা জানতে অপেক্ষা করতেই হবে গিলেট স্টেডিয়ামের বাঁশি বাজা পর্যন্ত।

খেলার দেশ ডেস্ক
খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

মন্তব্যসমূহ (0)
মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।