খেলারদেশ

বার্সেলোনা - রায়ো ভায়েকানো

বার্সার দাপুটে জয়ে ইয়ামালের রেকর্ড

ক্যারিয়ারে ৫০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়ে দ্রুততম টিনেজার লামিন ইয়ামাল

বার্সার দাপুটে জয়ে ইয়ামালের রেকর্ড

ইয়ামাল ও রাফিনিয়ার জোড়া গোল

খেলার দেশ ডেস্ক
By খেলার দেশ ডেস্ক

শুরুতে ধাক্কা খেলেও রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বড় জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। ৫-২ গোলের এই জয়ে দলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন লামিন ইয়ামাল ও রাফিনিয়া।

তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় গল্প ১৮ বছর বয়সী ইয়ামালকে ঘিরে। ক্যারিয়ারে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ইয়ামাল, যা টিনেজার হিসেবে দ্রুততম। এই তরুণ তারকার নতুন গড়া রেকর্ডে তাই বার্সার বড় জয় পূর্ণতা পেয়েছে। ম্যাচের ২১ মিনিটে ম্যাচে নিজের প্রথম গোল করে মাইলফলকটি স্পর্শ করেন লামিন।

টিনেজার হিসাবে দ্রুততম ৫০ গোলের রেকর্ড এখন লামিনের

টিনেজার হিসাবে দ্রুততম ৫০ গোলের রেকর্ড এখন লামিনের

ন্যু ক্যাম্পে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মোটেও প্রত্যাশামতো হয়নি। ১২ মিনিটে আলভারো গার্সিয়ার সহায়তায় গোল করে রায়োকে এগিয়ে দেন সার্জিও কামেয়ো। ডান-বাম দুই দিক থেকেই আক্রমণ গড়ে বার্সেলোনাকে চাপে রাখছিল রায়ো।

তবে পিছিয়ে পড়ার পর দ্রুতই ম্যাচে ফেরে বার্সা। ১৯ মিনিটে জাভি এসপার্টের সহায়তায় গোল করে সমতা ফেরান রাফিনিয়া। দুই মিনিট পরই আসে ইয়ামালের মুহূর্ত। মার্ক বার্নালের পাস পেয়ে বক্সের ডান দিক থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে রায়োর জালে বল পাঠান তিনি। তাতে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সা।

এরপরও ম্যাচে উত্তেজনা কমেনি। বার্সা একের পর এক আক্রমণ চালালেও রায়োর গোলরক্ষক দানি কার্দেনাস কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে জুলস কুন্দে গোল করলেও অফসাইডের কারণে ভিএআরের পর সেটি বাতিল হয়। ফলে বিরতিতে ২-১ ব্যবধানেই এগিয়ে ছিল বার্সেলোনা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ায় বার্সা। ৫১ মিনিটে ফ্লোরিয়ান লেজেউনের আত্মঘাতী গোলে স্কোরলাইন হয় ৩-১। কিন্তু রায়ো হাল ছাড়েনি। ৫৯ মিনিটে উনাই লোপেজের কর্নার থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান আবার কমিয়ে ৩-২ করেন কামেয়ো। । এই গোলের পর কিছুটা চাপে পড়ে বার্সা। রায়ো সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে। ৬১ ও ৬২ মিনিটে সার্জিও কামেয়োর দুটি শটই বার্সার রক্ষণে আটকে যায়। গোলরক্ষক হুয়ান গার্সিয়াকেও একাধিকবার পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়।

তবে ৭১ মিনিটে সেই চাপ কাটিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বার্সা। দ্রুত আক্রমণ থেকে অ্যান্থনি গর্ডনের সহায়তায় গোল করেন রাফিনিয়া। তাতে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

শেষ দিকে রায়োর প্রতিরোধ ভেঙে দিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ইয়ামাল। ৯০ মিনিটে করিম আদেয়েমির সহায়তায় বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে নিচের বাঁ কোণ দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। ম্যাচে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি বার্সার জয়ও নিশ্চিত করেন এই স্প্যানিশ তরুণ।

শেষ পাঁচ মিনিটে রায়ো আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও বার্সার গোলরক্ষক হুয়ান গার্সিয়া দলকে স্বস্তিতে রাখেন। ৯২ মিনিটে আলেমাওয়ের শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

রায়োর বিপক্ষে এই জয় তাই শুধু তিন পয়েন্টের নয়, বার্সার জন্য ইয়ামালের আরেকটি ঐতিহাসিক রাতও। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই ক্যারিয়ারের ৫০তম গোল করে টিনেজার হিসেবে দ্রুততম এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন লামিন ইয়ামাল।

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

সম্পর্কিত আরও খবর

এই বিভাগের সব খবর →

মন্তব্যসমূহ (0)

মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।