মাদ্রিদের পতন শেষ দশ মিনিটে (খেলার দেশ বিশেষ ডেমো 2)
Santiago Bernabéu, Champions League semi-final.
প্রিমিয়ার লিগের এক চরম উত্তেজনাকর ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আবাহনী ও মোহামেডান। ফুটবল মাঠের চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের এই লড়াইয়ে মাঠজুড়ে ছিল সমর্থকদের তীব্র উন্মাদনা ও উল্লাস। উভয় দলই তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মাঠে নামে এবং প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা চালায়। আক্রমণ ভাগের তারকা খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে দর্শক ও সমর্থকদের স্লোগান আর উল্লাস ধ্বনি খেলাটিকে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল।
খেলার প্রথমার্ধের দশম মিনিটে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে দর্শনীয় শটে গোল করে আবাহনীকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন স্ট্রাইকার। এই গোলের পর মোহামেডান সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। মধ্যমাঠের চমৎকার সমন্বয়ে উইং দিয়ে বারবার আক্রমণ গড়ে তোলে তারা, তবে আবাহনীর রক্ষণভাগ ছিল বেশ অনড়। রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরীদের নিখুঁত ট্যাকল আর গোলরক্ষকের অসাধারণ ডাইভ বারবার মোহামেডানের আক্রমণ নস্যাৎ করে দেয়।
খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ষাটতম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দুর্দান্ত এক ক্রসে চমৎকার হেডের মাধ্যমে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করে আবাহনী। গ্যালারিজুড়ে নীল-হলুদ সমর্থকদের জয়ের আনন্দ দেখা যায়। কিন্তু ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই একটি আত্মঘাতী পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করে খেলায় প্রাণ ফিরিয়ে আনে মোহামেডান। তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শকদের রোমাঞ্চিত করে রাখে। প্রতিটি আক্রমণই ছিল চোখে পড়ার মতো এবং টানটান উত্তেজনায় কাটে ম্যাচের শেষ মিনিটগুলো।
অবশেষে রেফরির শেষ বাঁশির সাথে সাথে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে তারা এক ধাপ এগিয়ে গেল এবং সমর্থকরা মেতে উঠল জয়োল্লাসে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের কোচ বলেন, এই জয় আমাদের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে এবং আগামী ম্যাচগুলোতে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভক্তদের অবদানও অতুলনীয়। দল হিসেবে আমরা খুব ভালো খেলেছি।
খেলাটি দেখতে স্টেডিয়ামে উপচে পড়া ভিড় ছিল। লাল ও নীল পতাকায় ছেয়ে গিয়েছিল পুরো গ্যালারি। মাঠের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। প্রথমার্ধে মোহামেডানের আক্রমণভাগে কিছু সুযোগ নষ্ট না হলে ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। তবে ডিফেন্সের দৃঢ়তা বজায় রেখে আবাহনী পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে যা লিগ টেবিলে তাদের অবস্থানকে অনেক শক্তিশালী করেছে। আগামী ডার্বি ম্যাচেও এই ধারা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিজয়ী দল।
প্রিমিয়ার লিগের এক চরম উত্তেজনাকর ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আবাহনী ও মোহামেডান। ফুটবল মাঠের চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের এই লড়াইয়ে মাঠজুড়ে ছিল সমর্থকদের তীব্র উন্মাদনা ও উল্লাস। উভয় দলই তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মাঠে নামে এবং প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা চালায়। আক্রমণ ভাগের তারকা খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে দর্শক ও সমর্থকদের স্লোগান আর উল্লাস ধ্বনি খেলাটিকে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল।
খেলার প্রথমার্ধের দশম মিনিটে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে দর্শনীয় শটে গোল করে আবাহনীকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন স্ট্রাইকার। এই গোলের পর মোহামেডান সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। মধ্যমাঠের চমৎকার সমন্বয়ে উইং দিয়ে বারবার আক্রমণ গড়ে তোলে তারা, তবে আবাহনীর রক্ষণভাগ ছিল বেশ অনড়। রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরীদের নিখুঁত ট্যাকল আর গোলরক্ষকের অসাধারণ ডাইভ বারবার মোহামেডানের আক্রমণ নস্যাৎ করে দেয়।
খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ষাটতম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দুর্দান্ত এক ক্রসে চমৎকার হেডের মাধ্যমে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করে আবাহনী। গ্যালারিজুড়ে নীল-হলুদ সমর্থকদের জয়ের আনন্দ দেখা যায়। কিন্তু ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই একটি আত্মঘাতী পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করে খেলায় প্রাণ ফিরিয়ে আনে মোহামেডান। তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শকদের রোমাঞ্চিত করে রাখে। প্রতিটি আক্রমণই ছিল চোখে পড়ার মতো এবং টানটান উত্তেজনায় কাটে ম্যাচের শেষ মিনিটগুলো।
অবশেষে রেফরির শেষ বাঁশির সাথে সাথে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে তারা এক ধাপ এগিয়ে গেল এবং সমর্থকরা মেতে উঠল জয়োল্লাসে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের কোচ বলেন, এই জয় আমাদের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে এবং আগামী ম্যাচগুলোতে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভক্তদের অবদানও অতুলনীয়। দল হিসেবে আমরা খুব ভালো খেলেছি।
খেলাটি দেখতে স্টেডিয়ামে উপচে পড়া ভিড় ছিল। লাল ও নীল পতাকায় ছেয়ে গিয়েছিল পুরো গ্যালারি। মাঠের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। প্রথমার্ধে মোহামেডানের আক্রমণভাগে কিছু সুযোগ নষ্ট না হলে ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। তবে ডিফেন্সের দৃঢ়তা বজায় রেখে আবাহনী পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে যা লিগ টেবিলে তাদের অবস্থানকে অনেক শক্তিশালী করেছে। আগামী ডার্বি ম্যাচেও এই ধারা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিজয়ী দল।
প্রিমিয়ার লিগের এক চরম উত্তেজনাকর ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আবাহনী ও মোহামেডান। ফুটবল মাঠের চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের এই লড়াইয়ে মাঠজুড়ে ছিল সমর্থকদের তীব্র উন্মাদনা ও উল্লাস। উভয় দলই তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মাঠে নামে এবং প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা চালায়। আক্রমণ ভাগের তারকা খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে দর্শক ও সমর্থকদের স্লোগান আর উল্লাস ধ্বনি খেলাটিকে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল।
খেলার প্রথমার্ধের দশম মিনিটে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে দর্শনীয় শটে গোল করে আবাহনীকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন স্ট্রাইকার। এই গোলের পর মোহামেডান সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। মধ্যমাঠের চমৎকার সমন্বয়ে উইং দিয়ে বারবার আক্রমণ গড়ে তোলে তারা, তবে আবাহনীর রক্ষণভাগ ছিল বেশ অনড়। রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরীদের নিখুঁত ট্যাকল আর গোলরক্ষকের অসাধারণ ডাইভ বারবার মোহামেডানের আক্রমণ নস্যাৎ করে দেয়।
খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ষাটতম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দুর্দান্ত এক ক্রসে চমৎকার হেডের মাধ্যমে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করে আবাহনী। গ্যালারিজুড়ে নীল-হলুদ সমর্থকদের জয়ের আনন্দ দেখা যায়। কিন্তু ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই একটি আত্মঘাতী পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করে খেলায় প্রাণ ফিরিয়ে আনে মোহামেডান। তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শকদের রোমাঞ্চিত করে রাখে। প্রতিটি আক্রমণই ছিল চোখে পড়ার মতো এবং টানটান উত্তেজনায় কাটে ম্যাচের শেষ মিনিটগুলো।
অবশেষে রেফরির শেষ বাঁশির সাথে সাথে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে তারা এক ধাপ এগিয়ে গেল এবং সমর্থকরা মেতে উঠল জয়োল্লাসে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের কোচ বলেন, এই জয় আমাদের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে এবং আগামী ম্যাচগুলোতে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভক্তদের অবদানও অতুলনীয়। দল হিসেবে আমরা খুব ভালো খেলেছি।
খেলাটি দেখতে স্টেডিয়ামে উপচে পড়া ভিড় ছিল। লাল ও নীল পতাকায় ছেয়ে গিয়েছিল পুরো গ্যালারি। মাঠের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। প্রথমার্ধে মোহামেডানের আক্রমণভাগে কিছু সুযোগ নষ্ট না হলে ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। তবে ডিফেন্সের দৃঢ়তা বজায় রেখে আবাহনী পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে যা লিগ টেবিলে তাদের অবস্থানকে অনেক শক্তিশালী করেছে। আগামী ডার্বি ম্যাচেও এই ধারা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিজয়ী দল।
প্রিমিয়ার লিগের এক চরম উত্তেজনাকর ডার্বি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আবাহনী ও মোহামেডান। ফুটবল মাঠের চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের এই লড়াইয়ে মাঠজুড়ে ছিল সমর্থকদের তীব্র উন্মাদনা ও উল্লাস। উভয় দলই তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মাঠে নামে এবং প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা চালায়। আক্রমণ ভাগের তারকা খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন। পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে দর্শক ও সমর্থকদের স্লোগান আর উল্লাস ধ্বনি খেলাটিকে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল।
খেলার প্রথমার্ধের দশম মিনিটে চমৎকার ড্রিবলিংয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে দর্শনীয় শটে গোল করে আবাহনীকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন স্ট্রাইকার। এই গোলের পর মোহামেডান সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। মধ্যমাঠের চমৎকার সমন্বয়ে উইং দিয়ে বারবার আক্রমণ গড়ে তোলে তারা, তবে আবাহনীর রক্ষণভাগ ছিল বেশ অনড়। রক্ষণভাগের অতন্দ্র প্রহরীদের নিখুঁত ট্যাকল আর গোলরক্ষকের অসাধারণ ডাইভ বারবার মোহামেডানের আক্রমণ নস্যাৎ করে দেয়।
খেলার দ্বিতীয়ার্ধের ষাটতম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দুর্দান্ত এক ক্রসে চমৎকার হেডের মাধ্যমে গোল ব্যবধান দ্বিগুণ করে আবাহনী। গ্যালারিজুড়ে নীল-হলুদ সমর্থকদের জয়ের আনন্দ দেখা যায়। কিন্তু ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই একটি আত্মঘাতী পেনাল্টি থেকে গোল শোধ করে খেলায় প্রাণ ফিরিয়ে আনে মোহামেডান। তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শকদের রোমাঞ্চিত করে রাখে। প্রতিটি আক্রমণই ছিল চোখে পড়ার মতো এবং টানটান উত্তেজনায় কাটে ম্যাচের শেষ মিনিটগুলো।
অবশেষে রেফরির শেষ বাঁশির সাথে সাথে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাহনী। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে তারা এক ধাপ এগিয়ে গেল এবং সমর্থকরা মেতে উঠল জয়োল্লাসে। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের কোচ বলেন, এই জয় আমাদের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে এবং আগামী ম্যাচগুলোতে আরও ভালো করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভক্তদের অবদানও অতুলনীয়। দল হিসেবে আমরা খুব ভালো খেলেছি।
খেলাটি দেখতে স্টেডিয়ামে উপচে পড়া ভিড় ছিল। লাল ও নীল পতাকায় ছেয়ে গিয়েছিল পুরো গ্যালারি। মাঠের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। প্রথমার্ধে মোহামেডানের আক্রমণভাগে কিছু সুযোগ নষ্ট না হলে ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। তবে ডিফেন্সের দৃঢ়তা বজায় রেখে আবাহনী পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে যা লিগ টেবিলে তাদের অবস্থানকে অনেক শক্তিশালী করেছে। আগামী ডার্বি ম্যাচেও এই ধারা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিজয়ী দল।
Staff Reporter
খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

মন্তব্যসমূহ (0)
মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।